বহুল ব্যবহৃত ১০০ মেডিকেল পরিভাষা - ৩য় পর্ব

 ১০০টি বহুল ব্যবহৃত ডাক্তারি পরিভাষা নিচে দেওয়া হলো:



১. অ্যাবডোমিনাল (Abdominal): পেটের সাথে সম্পর্কিত।

২. অ্যালার্জি (Allergy): কোনো পদার্থের প্রতি শরীরের অতিসংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া।

৩. অ্যানেস্থেসিয়া (Anesthesia): চেতনা লোপ করা বা অনুভূতিশূন্য করা।

৪. অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic): ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধের ওষুধ।

৫. অ্যাপেন্ডিসাইটিস (Appendicitis): অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ।

৬. আর্টারি (Artery): ধমনী, যা হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত বহন করে।

৭. আর্থ্রাইটিস (Arthritis): অস্থিসন্ধির প্রদাহ।

৮. অ্যাজমা (Asthma): শ্বাসকষ্টের রোগ।

৯. ব্যাকটেরিয়া (Bacteria): এককোষী জীবাণু, যা সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

১০. বায়োপসি (Biopsy): রোগ নির্ণয়ের জন্য টিস্যুর নমুনা সংগ্রহ।

১১. ব্লাড প্রেসার (Blood pressure): রক্তচাপ।

১২. বোন ম্যারো (Bone marrow): অস্থিমজ্জা, যেখানে রক্তকণিকা তৈরি হয়।

১৩. ব্রংকাইটিস (Bronchitis): শ্বাসনালীর প্রদাহ।

১৪. ক্যান্সার (Cancer): অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধিজনিত রোগ।

১৫. কার্ডিয়াক (Cardiac): হৃদপিণ্ডের সাথে সম্পর্কিত।

১৬. ক্যাটালিস্ট (Catalyst): রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়ানো পদার্থ।

১৭. ক্যাথেটার (Catheter): শরীরের গহ্বরে প্রবেশ করানো নল।

১৮. কোলেস্টেরল (Cholesterol): রক্তে পাওয়া চর্বিজাতীয় পদার্থ।

১৯. ক্রনিক (Chronic): দীর্ঘস্থায়ী রোগ।

২০. ডায়াবেটিস (Diabetes): রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া রোগ।

২১. ডায়াগনোসিস (Diagnosis): রোগ নির্ণয়।

২২. ডায়রিয়া (Diarrhea): পাতলা পায়খানা।

২৩. এডিমা (Edema): শরীরে জল জমা।

২৪. ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ECG): হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পরিমাপের পরীক্ষা।

২৫. এন্ডোস্কোপি (Endoscopy): শরীরের অভ্যন্তর দেখার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র।

২৬. এনজাইম (Enzyme): জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিতকারী পদার্থ।

২৭. ফেব্রাইল (Febrile): জ্বর হওয়া।

২৮. ফ্র্যাকচার (Fracture): হাড় ভাঙা।

২৯. গ্যাস্ট্রাইটিস (Gastritis): পাকস্থলীর প্রদাহ।

৩০. গ্লুকোজ (Glucose): রক্তে পাওয়া শর্করা।

৩১. হার্ট অ্যাটাক (Heart attack): হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৩২. হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin): রক্তে অক্সিজেন বহনকারী প্রোটিন।

৩৩. হরমোন (Hormone): শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে সাহায্যকারী রাসায়নিক পদার্থ।

৩৪. হাইপারটেনশন (Hypertension): উচ্চ রক্তচাপ।

৩৫. ইমিউনিটি (Immunity): রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

৩৬. ইনফেকশন (Infection): জীবাণুর সংক্রমণ।

৩৭. ইনফ্লেমেশন (Inflammation): প্রদাহ।

৩৮. ইনসুলিন (Insulin): রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন।

৩৯. ইন্ট্রাভেনাস (IV): শিরার মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ।

৪০. জন্ডিস (Jaundice): লিভারের রোগ, যাতে ত্বক হলুদ হয়ে যায়।

৪১. কিডনি (Kidney): বৃক্ক, যা রক্ত পরিশোধন করে।

৪২. ল্যাপারোস্কোপি (Laparoscopy): পেটের অভ্যন্তর দেখার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি।

৪৩. লিভার (Liver): যকৃৎ।

৪৪. লিম্ফোসাইট (Lymphocyte): শ্বেত রক্তকণিকা।

৪৫. ম্যালিগন্যান্ট (Malignant): মারাত্মক, যেমন ক্যান্সার।

৪৬. ম্যামোগ্রাফি (Mammography): স্তনের এক্স-রে।

৪৭. মেনিনজাইটিস (Meningitis): মস্তিষ্কের পর্দার প্রদাহ।

৪৮. মেটাবলিজম (Metabolism): শরীরের রাসায়নিক প্রক্রিয়া।

৪৯. মাইগ্রেন (Migraine): তীব্র মাথাব্যথা।

৫০. নার্ভ (Nerve): স্নায়ু।

৫১. নিউমোনিয়া (Pneumonia): ফুসফুসের সংক্রমণ।

৫২. নিউরালজিয়া (Neuralgia): স্নায়ুর ব্যথা।

৫৩. নিউরোপ্যাথি (Neuropathy): স্নায়ুর রোগ।

৫৪. ওবেসিটি (Obesity): অতিরিক্ত স্থূলতা।

৫৫. অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis): হাড় ক্ষয়।

৫৬. পেইনকিলার (Painkiller): ব্যথানাশক ওষুধ।

৫৭. প্যালপিটেশন (Palpitation): বুক ধড়ফড় করা।

৫৮. প্যারালাইসিস (Paralysis): পক্ষাঘাত।

৫৯. প্যাথোজেন (Pathogen): রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু।

৬০. পেডিয়াট্রিক (Pediatric): শিশু রোগ সম্পর্কিত।

৬১. ফার্মাকোলজি (Pharmacology): ওষুধ বিজ্ঞান।

৬২. ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy): শারীরিক থেরাপি।

৬৩. প্লেটলেট (Platelet): রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্যকারী রক্তকণিকা।

৬৪. প্রেসক্রিপশন (Prescription): ডাক্তারের দেওয়া ওষুধের তালিকা।

৬৫. প্রস্টেট (Prostate): পুরুষদের একটি গ্রন্থি।

৬৬. রেড ব্লাড সেল (Red blood cell): লোহিত রক্তকণিকা।

৬৭. রেডিওগ্রাফি (Radiography): এক্স-রে।

৬৮. রেনাল (Renal): কিডনি সম্পর্কিত।

৬৯. রেসপিরেটরি (Respiratory): শ্বাসতন্ত্র সম্পর্কিত।

৭০. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid arthritis): অস্থিসন্ধির প্রদাহজনিত রোগ।

৭১. সেপসিস (Sepsis): রক্তে জীবাণুর সংক্রমণ।

৭২. সিজোফ্রেনিয়া (Schizophrenia): মানসিক রোগ।

৭৩. সাইনাসাইটিস (Sinusitis): সাইনাসের প্রদাহ।

৭৪. স্প্লিন (Spleen): প্লীহা।

৭৫. স্টেরয়েড (Steroid): প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত ওষুধ।

৭৬. স্ট্রোক (Stroke): মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৭৭. সার্জারি (Surgery): শল্যচিকিৎসা।

৭৮. সিস্টেমিক (Systemic): সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।

৭৯. থার্মোমিটার (Thermometer): শরীরের তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র।

৮০. থ্রম্বোসিস (Thrombosis): রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা।

৮১. টনসিলাইটিস (Tonsillitis): টনসিলের প্রদাহ।

৮২. টিউমার (Tumor): অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি।

৮৩. আলসার (Ulcer): ক্ষত।

৮৪. ভ্যাকসিন (Vaccine): টিকা।

৮৫. ভেরিকোজ ভেইন (Varicose vein): ফোলা শিরা।

৮৬. ভাইরাস (Virus): অতি ক্ষুদ্র জীবাণু।

৮৭. ভিটামিন (Vitamin): শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।

৮৮. হোয়াইট ব্লাড সেল (White blood cell): শ্বেত রক্তকণিকা।

৮৯. উইন্ডপাইপ (Windpipe): শ্বাসনালী।

৯০. এক্স-রে (X-ray): শরীরের অভ্যন্তরের ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত রশ্মি।

৯১. জাইগোমা (Zygoma): গালের হাড়।

৯২. জাইমোসিস (Zymosis): গাঁজন।

৯৩. অ্যাপনিয়া (Apnea): শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৯৪. অ্যাসিস্টোল (Asystole): হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়া।

৯৫. ব্র্যাডিকার্ডিয়া (Bradycardia): হৃদস্পন্দনের ধীর গতি।

৯৬. ডিপথেরিয়া (Diphtheria): শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ।

৯৭. ডিসপেপসিয়া (Dyspepsia): বদহজম।

৯৮. এম্বলিজম (Embolism): রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা।

৯৯. এপিলেপসি (Epilepsy): মৃগীরোগ।

১০০. গ্লুকোমা (Glaucoma): চোখের রোগ।